প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
NEWS 9
NEWS 9 Kismat Noapara, Jashore Sadar, Jashore
01999466391 | admin@mtechsolutionbd.com
অপরাধ

সিটিটিসির মাধ্যমে গুম-খুনের মামলায় অভিযোগ দাখিল, সাবেক এডিসি ইশতিয়াকসহ আসামি পাঁচ

সিটিটিসির (সিভিল ট্রায়াল সাপোর্ট সেন্টার) মাধ্যমে গুম-খুনের মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগে সাবেক এডিসি ইশতিয়াকসহ মোট পাঁচজনকে আসামি করা হ
প্রতিবেদক: M Tech Solution BD প্রকাশ: Sep 16, 2026 প্রিন্ট: 24 Oct 2026, 11:34 AM
সিটিটিসির মাধ্যমে গুম-খুনের মামলায় অভিযোগ দাখিল, সাবেক এডিসি ইশতিয়াকসহ আসামি পাঁচ

সিটিটিসির (সিভিল ট্রায়াল সাপোর্ট সেন্টার) মাধ্যমে গুম-খুনের মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগে সাবেক এডিসি ইশতিয়াকসহ মোট পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে; এদের মধ্যে একাধিক ব্যক্তি পূর্বে বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগও রয়েছে। গুজব ও অনুমানকে বাস্তব আইনি প্রক্রিয়ায় রূপান্তরিত করার এই পদক্ষেপটি দেশের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার ব্যবস্থার প্রতি জনসাধারণের আস্থা পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গুম-খুনের ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিল, ফলে সমাজের বিভিন্ন স্তরে আতঙ্ক ও উদ্বেগের সঞ্চার ঘটেছিল। তাই এই অভিযোগ দাখিলের সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার নজরে এসেছে এবং তাৎক্ষণিক তদন্তের দাবি তীব্র হয়েছে।

এই মামলার পটভূমিতে গাজী মোনাওয়ারের পূর্ববর্তী মন্তব্যগুলো বিশেষ গুরুত্ব পায়। তিনি উল্লেখ করেন, কিছু ক্ষেত্রে মৃতদেহ গুম করে ফেলা হতো এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মিথ্যা মামলা দায়ের করে আদালতে চালান পাঠাতো। গুম-খুনের পদ্ধতি দীর্ঘদিন ধরে অপরাধী গোষ্ঠীর মধ্যে গোপনীয়তা বজায় রাখতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে বলে অনুমান করা হয়। পূর্বে একই রকম ঘটনার প্রতিবেদনগুলোতে দেখা গেছে, ভুক্তভোগীর পরিবারগুলো দীর্ঘ সময় পর্যন্ত নিখোঁজের অন্ধকারে বসে থাকে, আর তদন্তের অগ্রগতি ধীরগতিতে ঘটে। এই ধরনের পদ্ধতি সমাজে ন্যায়বিচারের প্রতি অবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলেছে এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ওপর চাপ বাড়িয়েছে।

অভিযোগের পর সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সাবেক এডিসি ইশতিয়াকের আইনজীবী দাবি করেন, তার ক্লায়েন্টের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ না থাকলে দ্রুত রিলিজের আবেদন করা হবে এবং মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে চালু হয়েছে বলে অভিযোগ করা হবে। অন্যদিকে, ভুক্তভোগীর আত্মীয়স্বজন গভীর শোক ও ক্রোধ প্রকাশ করে, তারা দাবি করেন যে দায়িত্বশীলদের কঠোর শাস্তি দেওয়া উচিত। আইনি বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেন, গুম-খুনের মতো জটিল অপরাধের ক্ষেত্রে প্রমাণ সংগ্রহ ও সাক্ষী সুরক্ষা বিশেষভাবে কঠিন, ফলে তদন্তে সময়সীমা বাড়তে পারে। জনমতও এই মামলায় তীব্রভাবে বিচ্ছিন্ন হয়েছে; কিছু মানুষ দ্রুত ন্যায়বিচার চায়, আবার অন্যরা আইনগত প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানায়।

প্রতিবেদন অনুসারে, সিটিটিসি এবং স্থানীয় পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করেছে এবং সংশ্লিষ্ট পাঁচজনকে গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। তদন্ত দল লাশের গুমের পদ্ধতি, মিথ্যা মামলার রেকর্ড এবং সম্ভাব্য সহায়তাকারী নেটওয়ার্কের ওপর বিশেষ দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছে। আদালতকে অভিযোগপত্র দাখিলের পর দ্রুত শুনানির আদেশ দেওয়া হয়েছে এবং প্রমাণ সংগ্রহের জন্য ফৌজদারি বিজ্ঞান বিশেষজ্ঞদের সহায়তা নেওয়া হবে। ভবিষ্যতে, আইনসভা গুম-খুনের মতো গোপনীয় অপরাধের জন্য বিশেষ আইন প্রণয়নের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করছে, যাতে অপরাধীদের শাস্তি কঠোর হয় এবং ভুক্তভোগীর পরিবারকে দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায়। এই পদক্ষেপগুলো দেশের আইনি কাঠামোর উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ NEWS 9