প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
NEWS 9
NEWS 9 Kismat Noapara, Jashore Sadar, Jashore
01999466391 | admin@mtechsolutionbd.com
রাজনীতি

ইজতেমার তারিখ ঘোষণা দাবিতে সাদ কান্ধলভীর অনুসারীদের তীব্র প্রতিবাদ

রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশে সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা জুবায়েরের অনুসারীদের তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, তাঁরা মিথ্যাচার করছেন। এই প্রতিবাদী সমাবেশে উপস্থিত
প্রতিবেদক: M Tech Solution BD প্রকাশ: Sep 13, 2026 প্রিন্ট: 22 Oct 2026, 07:32 AM
ইজতেমার তারিখ ঘোষণা দাবিতে সাদ কান্ধলভীর অনুসারীদের তীব্র প্রতিবাদ

রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ সমাবেশে সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা জুবায়েরের অনুসারীদের তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, তাঁরা মিথ্যাচার করছেন। এই প্রতিবাদী সমাবেশে উপস্থিত নেতারা দাবি করেছেন, সরকারের উচিত হলো অনতিবিলম্বে তাঁদের ইজতেমার তারিখ ঘোষণা করা। তাঁরা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তাঁদের ইজতেমা টঙ্গীর মাঠেই আয়োজন করতে চান। এই দাবি তুলে ধরার মাধ্যমে তারা রাজনৈতিক ও সামাজিক মঞ্চে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছেন, যা দেশের রাজনৈতিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে নিচ্ছে।

ঘটনার পটভূমি হিসেবে উল্লেখযোগ্য যে, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ধর্মীয় ও রাজনৈতিক গোষ্ঠীর মধ্যে শক্তির ভারসাম্য নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। সাদ কান্ধলভীর অনুসারীরা দাবি করছেন, তাঁদের আয়োজিত ইজতেমাটি একটি শান্তিপূর্ণ ও ধর্মীয় উদ্দেশ্যে পরিচালিত অনুষ্ঠান, যা দেশের সামাজিক ঐক্যের জন্য জরুরি। অন্যদিকে, জুবায়েরের অনুসারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগ তোলার মাধ্যমে তারা নিজেরা রাজনৈতিক অগ্রাধিকার অর্জন করার চেষ্টা করছেন। টঙ্গীর মাঠকে কেন্দ্র করে এই দাবি তুলে ধরা হয়েছে, যা স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাদ অনুসারী তাবলিগের সাথি মো. শফিক বিন নাঈম। তিনি বলেন, সরকারের উচিত হলো জনগণের ধর্মীয় অধিকার রক্ষা করে ইজতেমার তারিখ দ্রুত ঘোষণা করা। তিনি আরও বলেন, জুবায়েরের অনুসারীরা জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য মিথ্যাচার করছেন, যা দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য ক্ষতিকর। তাঁর এই বক্তব্যে সমাবেশে উপস্থিত হাজারো মানুষ উচ্চস্বরে স্লোগান দিয়ে সমর্থন জানিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারাও এই ঘটনায় নানা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন, যা জনজীবনে একটি নতুন রাজনৈতিক আলোচনার সূত্রপাত করেছে।

কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। প্রশাসন সতর্ক করে দিয়েছে, যেকোনো ধরনের আইনহীনতা বা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হলে দৃশ্যত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভবিষ্যৎ প্রেক্ষাপটে দেখা যাচ্ছে, এই দাবি পূরণ না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। সরকারের উচিত হলো উভয় পক্ষের সাথে বৈঠক করে একটি সমঝোতার পথ খুঁজে বের করা, যাতে দেশের শান্তি ও সামাজিক সম্প্রীতি বজায় থাকে। এই ঘটনাটি দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক দৃশ্যপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে ইতিহাসে স্থান পাবে বলে বিশ্লেষকদের মতামত।

© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ NEWS 9